মায়ের কড়া শাসনেই বড় হয়েছেন ববি দেওল

বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র–এর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর সারাজীবনই থেকেছেন ক্যামেরার আড়ালে। দুই জনপ্রিয় অভিনেতা সানি দেওল ও ববি দেওল–এর মা হলেও খুব কমই জনসমক্ষে দেখা গেছে তাঁকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের শৈশব ও মায়ের কঠোর শাসনের কথা খোলামেলা তুলে ধরেছেন ববি দেওল।
সাক্ষাৎকারে ববি জানান, ছোটবেলায় তিনি ছিলেন বেশ দুষ্টু ও অনিয়মিত। পড়াশোনায় তেমন মনোযোগ না থাকায় প্রায়ই স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিত। সেই সব অভিযোগের জের ধরেই মায়ের কঠোর শাসনের মুখে পড়তে হতো তাঁকে। কথায় কথায় মায়ের হাতে জুতোপেটা খাওয়াও নাকি ছিল তাঁর নিত্যদিনের অভিজ্ঞতা।
পাঞ্জাবের মেয়ে প্রকাশ কৌর বিয়ের পর মুম্বাইয়ে সংসার গড়ে তোলেন এবং সন্তানদের মানুষ করার দায়িত্ব নিজেই সামলান। ববি জানান, ছোটবেলায় স্কুলে যাওয়ার নাম শুনলেই তাঁর কান্না পেত। নিয়ম মানতে না চাওয়ায় প্রায়ই শিক্ষকদের অভিযোগ যেত তাঁর মায়ের কাছে।
একদিন স্কুলের এক শিক্ষক পরামর্শ দেন, ইংরেজি মাধ্যমে পড়েও ববি সাবলীলভাবে হিন্দিতে কথা বলায় তাঁকে হিন্দি মাধ্যমে ভর্তি করানো যেতে পারে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তাঁর মা। ববির ভাষ্য, “আমার নামে এত অভিযোগ আসত যে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মারতে মারতে নিয়ে যেত মা। স্কুল ছাড়ানোর কথা উঠতেই জুতোপেটা শুরু করে দেন।”
ববি আরও জানান, মায়ের কাছে জুতোপেটা খাওয়া যেন ছিল নিয়মিত ঘটনা। এটি তাঁর মায়ের ‘অস্ত্র’ হিসেবেই ব্যবহৃত হতো। তবে বাবা ধর্মেন্দ্র কখনো এভাবে শাসন করতেন না। শুধু চোখ বড় করে তাকালেই তাঁরা ভয় পেয়ে যেতেন।
উল্লেখ্য, ধর্মেন্দ্র ও প্রকাশ কৌর ১৯৫৪ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের সংসারে সানি দেওল, ববি দেওল, বিজেতা দেওল ও অজিতা দেওল—এই চার সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে প্রথম স্ত্রীকে আইনিভাবে বিচ্ছেদ না দিয়েই ১৯৮০ সালে অভিনেত্রী হেমা মালিনী–কে বিয়ে করেন ধর্মেন্দ্র।





